![]()


হবিগঞ্জ সংবাদদাতা ::
ঘুষ ও জালিয়াতির মাধ্যমে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. শাহাব উদ্দিনকে অবশেষে বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রায় পাঁচ বছর পর এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলো।
রোববার (৪ মে) মাদরাসার গভর্নিং বডির সভাপতি ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) নাইমা খন্দকার এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করেন। আদেশে উল্লেখ করা হয়, শাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিধি বহির্ভূতভাবে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগ সুনির্দিষ্টভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে অধ্যক্ষ পদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, ২০২০ সালের ২৫ জুলাই তিনি মাদরাসার তৎকালীন সভাপতি ও সংসদ সদস্য আবু জাহিরের মাধ্যমে ১৫ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পান বলে অভিযোগ উঠে। একই বছরের ২০ অক্টোবর শিক্ষার্থীর অভিভাবক লিলু মিয়া অধ্যক্ষের নিয়োগে অনিয়মের বিষয়ে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন।
২০২3 সালের ১২ নভেম্বর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পক্ষ থেকে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচারকের কাছে এই নিয়োগ বাতিলের দাবি জানানো হয়। এরপর উপাচারকের অনুমোদনে রেজিস্ট্রার মো. আইউব হোসেন মাদরাসা সভাপতিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন।
সরেজমিন তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার পর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) প্রিয়াংকা পাল এ বিষয়ে লিখিত প্রতিবেদন প্রেরণ করেন। শেষ পর্যন্ত সব তদন্তে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হওয়ায় বরখাস্তের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি নাইমা খন্দকার বলেন, “অধ্যক্ষ শাহাব উদ্দিনের নিয়োগ নিয়ে যতগুলো অভিযোগ এসেছে, সবকটিই তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। তাই নীতিমালার আলোকে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।”